১১ দলীয় জোটের শরীক দল এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমেদ বীর বিক্রম দাবি করেছেন, তিনিই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে বলেছিলেন।
শুক্রবার ( ৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে মহেশখালীর হোয়ানকে কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের সর্মথনে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় এ দাবি করেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমিই জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে বলেছিলাম, আমাদের মধ্যে তৎকালীন সিনিয়র ছিলেন মেজর মীর শওকত ( পরবর্তী সময়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল)। তিনি লিখেছেন, এই অফিসার (কর্ণেল অলি) জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে বলেছিলেন এবং আমি যদি উনাকে দেওয়ান হাট থেকে না নিয়ে আসতাম ৫ মিনিট পরেই মেরে ফেলে উনাকে কর্ণফুলী নদীতে ভাসিয়ে দিতো।”
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা প্রসঙ্গে কর্নেল অলি বলেন, “এটা হচ্ছে আমার জীবনের শেষ যুদ্ধ, প্রথমে যুদ্ধ করেছিলাম আপনাদের স্বাধীন করার জন্য ক্যাপ্টেন অলি আহমেদ হিসেবে। প্রথম বিদ্রোহ করেছিলাম, আমার আগে কেউ বিদ্রোহ করতে পারেনি।”
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে ডকুমেন্ট আছে, আমি পিএইচডি করে প্রমাণ করে দিয়েছি। যার লিখিত ডকুমেন্ট আর্মি হেড কোয়ার্টারেও রয়েছে, এখন ফেসবুকেও আছে। সেখানে লেখা আছে ক্যাপ্টেন অলি আহমেদ ২৫ তারিখ অর্থাৎ ২৬ মার্চ রাতে ৮ম বেঙ্গল নিয়ে বিদ্রোহ করেছে, যেটি জিয়াউর রহমানের হাতের লেখা। কিন্তু বিএনপির কিছু অশিক্ষিত মানুষ জামায়াত ইসলামীর আমিরকে নিয়ে ঠাট্টা করছে, কারণ তারা লেখাপড়া করে না সারাদিন চাঁদা তুলে।”
পথসভায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে তিনি বলেন, “আপনারা হামিদুর রহমান আযাদের ওপর আস্থা রাখবেন তিনি সর্বোচ্চ মন্ত্রীদের একজন হবেন। আপনারা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন। আমি যেদিন বিএনপি থেকে এসে গেছি সেদিন তাদের কবর রচনা হয়েছে, দালালদের সরকার এদেশে আর হবে না।”
জামায়াত প্রার্থী ও দলটির সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “দাঁড়িপাল্লা জিতে গেলে জিতে যাবে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার মানুষ, জিতে যাবে বাংলাদেশ। আমরা আপনাদের জন্য ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”
সভায় জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা বক্তব্য রাখেন এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
